Joy Jugantor | online newspaper

বগুড়ায় নৌকা ডুবিয়ে জিতলেন চার বিদ্রোহী

নিজস্ব প্রতিবেদক 

প্রকাশিত: ২১:৪৮, ২৯ নভেম্বর ২০২১

আপডেট: ২২:০১, ২৯ নভেম্বর ২০২১

বগুড়ায় নৌকা ডুবিয়ে জিতলেন চার বিদ্রোহী

তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে বগুড়ায় তিন উপজেলার চারটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। 

রোববার রাতে তিন উপজেলার নির্বাচনী কন্ট্রোল রুম থেকে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এর আগে এদিন সকাল আটটা থেতে বিকাল চারটা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। জেলার সদর, শাজাহানপুর ও ধুনট এ তিন উপজেলার ২৭ ইউনিয়নের ২৬০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলে।

তারা হলেন- বগুড়া সদর উপজেলার নুনগোলা ইউনিয়নে আনারস প্রতীকে বদরুল আলম, গোকুলে আনরস প্রতীকে জিয়াউর রহমান।

শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নে আনরস প্রতীকে সাইফুল ইসলাম বিমান। আরেকজন হলেন ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ি ইউনিয়নের ঘোড়া প্রতীকে মাসুদুল হক বাচ্চু।

দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করে তারা জয়ী হন। তবে ইউপি নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে ভোট করায় তাদেরকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

নৌকা প্রতীক নিয়ে বগুড়া সদরের নুনগোলা ইউনিয়নের গতবারের চেয়ারম্যান আলীম উদ্দিন এবার ভোট পেয়েছেন ১২২টি। তিনি ওই ইউনিয়নের মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগও পাননি। ফলে ঐ ইউনিয়নের গতবারের চেয়ারম্যান আলীম এবার তার জামানত হারাচ্ছেন।

এবার নুনগোলা ইউনিয়নে আনারস প্রতীকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বদরুল আলম।

জানতে চাইলে আ.লীগ মনোনীত প্রার্থী (পরাজিত) আলীম উদ্দিন জানান, ‘আমাকে দলীয় নেতা-কর্মীরা অসহোযোগিতা করছেন। আমার দুই ভাই বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকের হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে। আমি এজন্য নির্বাচন থেকে সরে এসেছি। কেন্দ্রে এজেন্টও দেইনি। আমি নিজেও ভোট দিতে যাইনি। তাই আমার ভোটারা কেউও ভোট দিতে যায়নি। এজন্য এমন হয়েছে।' 

সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এসএম জাকির হোসেন জানান, নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থীকে মোট প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হবে। তা না পেলে তার জামানতের দেওয়া ৫ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত হয়ে সরকারি কোষাগারে যাবে।