Joy Jugantor | online newspaper

গাইবান্ধায় সেই মর্টার সেলের বিস্ফোরণ ঘটালো সেনাবাহিনী 

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি 

প্রকাশিত: ২০:১৪, ১০ জুন ২০২১

আপডেট: ২০:৪৫, ১০ জুন ২০২১

গাইবান্ধায় সেই মর্টার সেলের বিস্ফোরণ ঘটালো সেনাবাহিনী 

উপজেলার সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ইক্ষু খামার এলাকা।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে উদ্ধার হওয়া সেই মর্টার সেলের বিস্পোরণ ঘটিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল। বৃহস্পতিবার উপজেলার সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ইক্ষু খামার এলাকার ফাঁকা জায়গায় শেলটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। 

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় গত দুই দিনে মর্টার সেল ও টাইমবোম উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ উদ্ধারকৃত বিস্ফোরক দুটিকে বোমা সদৃশ বললেও বিস্ফোরণ ঘটানোর পর প্রমাণিত হয়েছে একটি ছিল তাজা টাইমবোম ও অপরটি শক্তিশালী মর্টার সেল। বোমা দুটি উদ্ধারের পর গত বুধবার ঢাকা থেকে র‌্যাবের দল এসে ওই টাইমবোমটি নিষ্ক্রিয় করেন। 

জানা গেছে, গত ৮ জুন গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের খলশী চাঁদপুর গ্রামের পাশে করতোয়া নদীর তীরে পুলিশ মর্টার সেলটি উদ্ধার করে। কিন্তু পুলিশ ওই দিন অজ্ঞাত কারণে বিষয়টি গোপন রাখে। ৯ জুন উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের শেরপুর ভাগগোপাল গ্রামের ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি মেহেদি হাসানের বাড়ি থেকে টাইমবোম উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ বিস্ফোরক দুটিকে বোমা সদৃশ বলে চালিয়ে দেয়। কিন্তু ৯ জুন ঢাকা থেকে র‌্যাবের বোমা নিস্ক্রিয়কারী দলকে ডেকে এনে টাইমবোমটির বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। 

অপরদিকে ১০ জুন রংপুর থেকে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়নের ক্যাপ্টেন আবু সালেহ্র নেতৃত্বে বোমা নিস্ক্রিয়কারী একটি দল এসে মর্টার সেলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মর্টার সেলটি একটি শক্তিশালী মর্টার সেল বলে সনাক্ত করে। এরপর ওই দলটি উপজেলার সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ইক্ষু খামার এলাকার ফাঁকা জায়গায় মর্টার সেলটির বিস্ফোরণ ঘটায়। এসময় মর্টার সেলটি বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়ে কুণ্ডলী ধোঁয়ায় এলাকাটিকে আচ্ছাদিত করে ফেলে। এ দু’টি ঘটনায় এলাকার মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। 

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি এ কে এম মেহেদি হাসান জানান, ‘১৯৭১ সালের পরিত্যক্ত মর্টার শেলটি গত ফেব্রুয়ারি মাসে উদ্ধার করা হয়। এরপর বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের অনুমোদন সাপেক্ষ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রংপুর রেঞ্জের একটি বিশেষজ্ঞ দল এসে মর্টার শেলটি নিষ্ক্রিয় করেন। ’