Joy Jugantor | online newspaper

পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে চা পাতা সংগ্রহ শুরু

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৪:৫৭, ১ মার্চ ২০২১

পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে চা পাতা সংগ্রহ শুরু

ছবি সংগৃহীত

প্রতিবছর শীতের সময় চা বাগানের চা গাছগুলোতে পাতার বৃদ্ধি কমে যায়। এ সময় চা চাষিরা চা পাতা সংগ্রহ করেনা এবং তারা চা গাছের ডালপালা ছেঁটে ফেলেন। বৈজ্ঞানিক ভাষায় একে বলা হয় প্রুনিং পদ্ধতি। এই পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে চা বাগানে পাতা ঘন হয় এবং বৃদ্ধি পায়। তাই জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি মাসে চা চাষিরা চা পাতা সংগ্রহ বন্ধ রেখে চা প্রুনিং করেন।

এ সময় কারখানাগুলোও বন্ধ হয়ে যায়। কারখানাগুলোর মেশিন পত্র ধোয়া মোছা করে নতুন করে প্রস্তুত করা হয়। তাই চায়ের মৌসুম শুরু হয় মার্চ থেকে। বর্তমানে গাছে গাছে মুকুলের সমাহার আর চা বাগানগুলোতে ছড়িয়েছে নতুন পাতা ও কুড়ি।

দুই মাস বন্ধ থাকার পর পঞ্চগড়সহ রংপুর অঞ্চলের সমতল ভূমির চা বাগানগুলো থেকে আজ ১ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে কাঁচা চা পাতা সংগহ। চা কারখানাগুলো শুরু করছে তৈরি চা উৎপাদনের কার্যক্রম। তাই ক্ষুদ্র চা চাষিদের মধ্যে বিরাজ করছে আনন্দ উদ্দীপনা।

চা বোর্ড কতৃপক্ষ জানিয়েছে, এই মৌসুমে এক কোটি কেজি তৈরি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কাঁচা চা পাতার ক্রয় মূল্য এখনো নির্ধারণ করেনি চা ক্রয় কমিটি। তাই মূল্য নিয়ে কিছুটা দ্বিধায় রয়েছেন চা চাষিরা। তবে আগের নির্ধারিত মূল্যেই চাষিদের কাছ থেকে চা পাতা ক্রয়ের জন্য কারখানাগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক চা কার্যালয়ের ঊর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালক  ড. মোহাম্মদ শামীম আল মামুন জানান, ২০২০ সালে উত্তরবঙ্গে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে চা উৎপাদন দেশে রেকর্ড স্থাপন করেছে। আমরা চা চাষিদেরকে সব রকম সহযোগিতা দিচ্ছি। চা চাষিদেরকে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য ভ্রাম্যমাণ ক্যামেলিয়া খোলা আকাশ স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ অঞ্চলে প্রতিনিয়ত চা চাষ বাড়ছে। এবারও লক্ষ্যমাত্রা ছড়িয়ে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে।