Joy Jugantor | online newspaper

স্কুলছাত্র হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নাটোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১২:০৪, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

আপডেট: ১২:০৬, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

স্কুলছাত্র হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার।

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্র আবু হোসাইন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত আসামি আমিনা বেগমকে (৪৯) গ্রেপ্তার করেছে র‍‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। 

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট সিপিসি- ৩ র‌্যাব-৫ কোম্পানি অধিনায়ক মেজর শেখ সাদিক। এর আগে বুধবার ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে সদর উপজেলার পুরানাপৈল এলাকা থেকে আমিনা গ্রেপ্তার করা হয়। আমিনা পাঁচবিবি উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামের আবু রায়হানের স্ত্রী।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জয়পুরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক নুরুল ইসলাম ৫ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। সেই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন। এসময় ৪ জন আসামি উপস্থিত এবং আমিনা বেগম নামে এক আসামি পলাতক ছিলেন। পরে বুধবার ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে জয়পুরহাট সদর উপজেলার পুরানাপৈল এলাকা থেকে আমিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৫ মার্চ সকাল ৯টায় পাঁচবিবি উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামে আবু তাহের তার পুকুর পাড়ে খড় তুলছিলেন, এ সময় রব্বানী, আরিফুল, রাফেউল, রোস্তম আলী, মোস্তফা, ছাইদার রহমান, আমিনা বেগম ও সাহিদা বেগম দলবদ্ধ হয়ে হাতে লাঠি ও লোহার শাবল দিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মারপিট করে জখম করে। এ সময় আবু তাহেরের ছেলে আবু হোসাইন এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে দেখতে পায় তার পিতাকে মারপিট করছে। আবু হোসাইন দৌড়ে পিতাকে রক্ষার্থে এগিয়ে এলে তাকেও মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে পাঁচবিবি পরে জয়পুরহাট ও বগুড়া থেকে ঢাকা ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে ২০১০ সালের ৩ এপ্রিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবু হোসাইনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় নিহতের পিতা আবু তাহের বাদি হয়ে ২০১০ সালের ৩ এপ্রিল পাঁচবিবি থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তীতে মামলার তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মুমিনুল হক ২০১০ সালের ৩০ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আদালতের বিচারক এই রায় দেন।