Joy Jugantor | online newspaper

টানা রোদে সুফল পাচ্ছেন কৃষক

চলনবিলে চলছে আগাম জাতের ধান কাটা

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০:৩৪, ২৯ এপ্রিল ২০২৪

চলনবিলে চলছে আগাম জাতের ধান কাটা

ছবি সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ, উল্লাপাড়া উপজেলার চলনবিল এলাকায় আগাম জাতের বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। কমবাইন্ড হারভেস্টার মেশিনের পাশাপাশি স্থানীয় শ্রমিক দিয়ে ধান কাটা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৭ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এবার উৎপাদন বাড়াবে বলে আশা কৃষক ও কৃষি বিভাগের। এছাড়া টানা রোদ থাকায় ধান ঘরে তোলার সুফল পাচ্ছেন কৃষক।

জানা যায়, তাড়াশ এবং উল্লাপাড়া এবার আগাম জাতের ৫২ হাজার ৭৫২ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের বোরো আবাদ করা হয়েছিল। কৃষি বিভাগ বলেছে, কমবাইন্ড হারভেস্টার মেশিন ব্যবহার করায় কৃষি শ্রমিকের সংকট নেই। এছাড়া কৃষি শ্রমিকের প্রতিদিনের পারিশ্রমিকও সাধ্যের মধ্যে রয়েছে। ফলে নতুন ধান বিক্রি করেও কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।

তাড়াশ উপজেলার কুসুম্বি গ্রামের কৃষক আব্দুস ছালাম জানান, এ বছর চলনবিলে ধানের আবাদ ভালো হয়েছে। ধান কাটাও শুরু হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ৩০ মণ ধানের উত্পাদন হচ্ছে বলে তিনি জানান। উল্লাপাড়া উপজেলার বড়পাঙ্গাসী গ্রামের কৃষক আবু বক্কর জানান, আমাদের এখানে ধানের ফলন ভালো হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই পুরোপুরি ধান কাটা শুরু হবে। এ বছর ব্রি-২৯সহ বিভিন্ন ধানের ফলন ভালো হবে বলে তিনি জানান। 

উল্লাপাড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমি জানান, ইতিমধ্যেই চলনবিল এলাকায় আগাম জাতের ধান কাটা শুরু হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ধান কাটার চাপ ক্রমেই বাড়ছে। প্রচণ্ড রোদে ধান দ্রুত পেকে জমিতেই প্রায় শুকিয়ে গেছে। কৃষি শ্রমিকের পাশাপাশি কমবাইন্ড হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে ধান কাটা শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর এখানে ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, চলনবিল এলাকায় ইতিমধ্যেই আগাম জাতের ধান কাটা শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৭ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে। আগামী কিছু দিনের মধ্যেই ধান কাটা শেষ হবে। এ বছর চলনবিলে ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সেনবাগে ইরি-বোরো ধান কাটা শুরু
সেনবাগ (নোয়াখালী) সংবাদদাতা  জানান, সেনবাগ উপজেলায় উত্সবের আমেজে ইরি-বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এলাকার কৃষকরা ইরি-বোরো ধান কেটে ঘরে উঠানো নিয়েই বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন। শ্রমিকসংকট থাকায় ধান কাটায় কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে অনেক এলাকায় কম্বাইন্ড হারবেস্টার মেশিনে ধান কাটাও চলছে। এ মেশিনের সংখ্যা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। ইরি-বোরো ধানের ফলন ভালো পেয়ে এলাকার কৃষক খুশি।